জুলাই থেকে স্কুলের রান্না করা খাবার পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা | bdjobss.Net

জুলাই থেকে স্কুল রান্না করা খাবার পাবেন প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা

জুলাই থেকে স্কুলের রান্না করা খাবার পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা   bdjobss.Net


দেশের 16 উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের আগামী জুলাই থেকে দুপুরে রান্না করা খাবার দেওয়া হবে। শিশুদের আকর্ষণ, ঝরে পড়া হ্রাস এবং পুষ্টি ও খাদ্য চাহিদা পূরণে প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলা চালু হবে।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশিত হয়। অনুষ্ঠান 'জাতীয় স্কুল মিল নীতি -2019' শিরোনাম চূড়ান্ত খসড়া নীতিমালা উপস্থাপন করা হয়।

প্রধান অতিথির ভাষণে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধুন চন্দ্র মজুমদার, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশাইসিং ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। সঞ্চালনা সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদ কে চৌধুরী।

আলোচনার অংশ নেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন, স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম প্রকল্প পরিচালক রুহুল আমিন খান এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডাব্লুএফপি) বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচার্ড রেগন। প্রাথমিক আলোচনা উপস্থাপন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াসউদ্দিন আহমেদ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, 

এ প্রকল্পের জন্য 8 হাজার কোটি টাকা লাগবে বলে ধারণা করা হয়েছে। টাকা পয়সার সমস্যা নয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় সবাই এটা সমর্থন করে। কারন আমাদের প্রধান, তিনি চান এটা হোক। আমি প্রধানমন্ত্রীর মনের বোঝা এ কথা বলছি।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রশংসনীয়। তবে স্কুল মিলছে পুষ্টিকর বিবেচনার বিচার হবে। খাবার শিশুকে শিক্ষায় মনোনিবেশ করতে সাহায্য করবে। আমি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করেছি। আমরা উভয়ই পরিকল্পনা মন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে বসতে রাজি। চাঁদবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রতিটি বিনিয়োগে লাভ-ক্ষতি রয়েছে। এ বিনিয়োগে লস নেই। এ বিনিয়োগ সমাজ, পরিবার, ধর্ম, রাষ্ট্র, কল্যাণকামী জন্য বিশ্ব। এই শিশুাই শিক্ষা-দীক্ষিতে পরিপূর্ণ হয়ে বেরিয়ে আসবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পে পর্যায়ক্রমিকভাবে প্রতিটি স্কুল বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলে পড়াশোনা বন্ধ হলে স্কুলে আসার প্রবণতা বাড়বে। তিনি বলেন, আমরা যত বড় বাংলাদেশ বানাই, যত সুন্দর বাংলাদেশ বানাই, ভিত্তি দুর্বল করে ফেললে টিকবে না। বাচ্চাদের পুষ্টিকর খাবার দিয়ে শারীরিকভাবে সুস্থ এবং শিক্ষিত করা এ খাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মানচিত্র অনুযায়ী 16 জেলা চিহ্নিত করে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এখন 3 টি উপজেলা পরীক্ষা চালু আছে। 

এগুলো হচ্ছে- জামালপুরের ইসলামপুর, বরগুনার বামনা ও বান্দরবান লামা উপজেলা। জাতীয় স্কুল মিল নীতি প্রণয়ন এর আগে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রশেদ কে চৌধুরী বলেন, প্রথমভাগে পরে দেশের সব শিশু হাতেই বই পড়তে পারে। একইভাবে শিশুদের মধ্যে খাবারও দেওয়া সম্ভব।

খাবার তালিকা চিহ্নিত করা হয়েছে। 

6 দিন মধ্যে 3 দিন রান্না করা খাবার এবং 3 দিন বিস্কুট দেওয়া হবে- একদিন পর। রান্নার কাজ করা স্থানীয়দের সহযোগিতা। প্রতি স্কুলে একটি বাবুর্চি নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষার্থী বেশি হলে বাবুর্চিীর একজন সহকারী নিয়োগ করা হবে। বর্তমানে চলমান বিস্কুট প্রোগ্রামসূচী শিক্ষার্থীপ্রতি 8 টাকা খরচ করে। রান্না করা খাবার দেওয়া হলে বাজেট 18 টাকা হবে। প্রতি খাবারে একটি শিশুর দৈনিক শক্তি চাহিদা 30 শতাংশ এবং পুষ্টি চাহিদার 50 শতাংশ স্কুল খাবার নিশ্চিত করা হবে। এজন্য পুষ্টিবিদদের পরামর্শ নেওয়া হবে।
Previous
Next Post »